তালতলীর গোল গাছের
ঝোলা গুড়
তালতলীর গোল গাছের গুড়: দক্ষিণের এক অনন্য মিষ্টতা।
পৌষ থেকে ফাল্গুন — বেহালা গ্রামের বাহরে বিকেলে গাছে পাত্র বাঁধা হয়, সকালে সেই রস জ্বাল দিয়ে গুড় বানানো হয়। শুধু গাছের রস জ্বাল দেওয়া হয়।
পাম সুগারের জিআই প্রায় ৩৫–৫৪ বলা হয়, সাদা চিনির প্রায় ৬৮। পরিমিত পরিমাণে নিন। ডায়াবেটিস থাকলে পরিমাণটা ডাক্তারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন — এটা ওষুধ নয়।
সংখ্যাগুলো প্রায়, গাছ আর জ্বালের উপর নির্ভর করে কিছুটা এদিক-ওদিক হতে পারে।

গোল গুড়ের গুণ
এই গুড়টা কেন মানুষ খুঁজে খুঁজে কেনে
কথা বাড়িয়ে নয়, কাজের কথাগুলোই নিচে দেওয়া হলো।
পার্থক্যটা কোথায়
অন্য গুড়ের চেয়ে গোল গুড় কেন আলাদা
এক নজরে দেখে নিন — কোনটা কোথা থেকে আসে, কেমন খেতে, আর কখন পাওয়া যায়।
গোল গাছের গুড়
খেজুরের গুড়
তালের গুড়
সাদা চিনি
জিআই এর সংখ্যাগুলো প্রায়, গাছ আর জ্বালের উপর নির্ভর করে কিছুটা এদিক-ওদিক হতে পারে। কোনো গুড়ই ওষুধ নয়।

তালতলীর গোলের গুড়ের গল্প
বেহালার গোল গাছের রস থেকে গুড়
তালতলীতে প্রায় ৯০ হেক্টর জমিতে প্রায় ২০ হাজার গোল গাছ আছে। এর মধ্যে বেহালা গ্রামেই প্রায় ১৫ হাজার। পৌষ থেকে ফাল্গুন পর্যন্ত রসের মৌসুম চলে, আর এই সময়টায় প্রায় সাড়ে তিনশো পরিবার এই কাজে থাকে। একজন গাছি দিনে ৩০০ থেকে ৪০০টি গাছের রস আহরণ করতে পারেন। এক কলস রস দিয়ে মোটামুটি তিন কেজি গুড় তৈরি হয়।
আষাঢ় মাসে গাছে গাবনা ফল আসে। অগ্রহায়ণ মাসে ডাঁটিটা নুইয়ে, কয়েক দিন দোয়ানোর পর পৌষের শুরুতে কাণ্ড কেটে রস সংগ্রহ শুরু হয়। এই পুরো কাজটা হাতে হাতে, মেশিনে নয়।
ব্লগে পুরো গল্পটা পড়ুন →কীভাবে তৈরি হয়
চারটা ধাপ, কোনো গোপন উপাদান নেই
- ১বাহরে রস সংগ্রহবিকেলে গাছে পাত্র বেঁধে রাখা হয়।
- ২সকালে জ্বালতাজা রস ছেঁকে আগুনে জ্বাল দেওয়া হয়।
- ৩ঝোলা অবস্থায় নামানোপাটালি করার মতো বেশি জ্বাল দেওয়া হয় না।
- ৪জারে ভরাঠান্ডা হলে ফুড-গ্রেড জারে ভরে পাঠানো হয়।
ক্যাটেগরি
তিন ধরনের গুড়
তিনটাই ঝোলা গুড় — যেটা পছন্দ, সেটায় ক্লিক করলেই পুরো বিবরণ আর অর্ডার পাবেন।

